,

বাড়ছে ডিশ বিল

নিজস্ব প্রতিবেদক: ডিশ বিল বাড়ছে। স্থান ও চ্যানেলের সংখ্যা ভেদে ডিশ লাইন ব্যবহার বাবদ মাসের বিল ১০০ থেকে ১৫০ টাকা বৃদ্ধি হচ্ছে। সরকার এ সংক্রান্ত ক্যাবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা ও লাইসেন্সিং বিধিমালা ২০১০ সংশোধন করেছে। অবশ্য ২০১০ সালের বিধিমালায় নির্ধারিত অর্থের চেয়ে বেশি হারে বিল আগে থেকেই ক্যাবল অপারেটররা নিয়ে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে মঙ্গলবার সংশোধিত বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।

সরকার ক্যাবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন ২০০৬ আলোকে ২০১০ সালে প্রথমে বিধিমালা প্রণয়ন করে। ওই বিধিমালায় ক্যাবল অপারেটরদের লাইসেন্স নেওয়ার বিধান যুক্ত করার পাশাপাশি লাইসেন্স ফি এবং ক্যাবল অপারেটররা গ্রাহকদের থেকে এলাকা ও চ্যানেল সংখ্যার ভিত্তিতে মাসে সর্বোচ্চ কী পরিমাণ বিল আদায় করতে পারবে তা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।

জানা গেছে, ওই সময় ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরের জন্য ন্যূনতম ৩০টি পে চ্যানেলসহ ৬০টি চ্যানেল প্রদর্শন বাবদ গ্রাহকদের থেকে মাসে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, ফরিদপুর, ময়মনসিংহ, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, যশোর, কুষ্টিয়া, পাবনা, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর, রাঙ্গামাটি ও টাঙ্গাইল শহরে ন্যূনতম ২৫টি পে চ্যানেলসহ ৫০টি চ্যানেলের জন্য ২৫০ টাকা, অন্যান্য জেলা শহরে ন্যূনতম ১৫টি পে চ্যানেলসহ ৪০টির জন্য ২০০ টাকা এবং উপজেলাগুলোতে ১০টি পে চ্যানেলসহ ৩০টির জন্য মাসে সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়।

সংশোধিত বিধিমালায় বিভাগীয় শহরে ন্যূনতম ৪০টি পে চ্যানেলসহ ৮৫টি চ্যানেলের জন্য সর্বোচ্চ ৪০০ টাকা, অন্যান্য শহর, পৌরসভা ও আশপাশের এলাকার জন্য ৩৫০ টাকা এবং অন্য শহরে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

সংযোগ ফি আগের মতো সিটি করপোরেশনের জন্য ৫০০ টাকা ও সিটির বাইরে ৩০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সংশোধিত বিধিতে ডিশ লাইন ছাড়াও নতুন করে ডিজিটাল অ্যাড্রেসেবল সিস্টেম (সেটটপ বক্স) ব্যবহারে মাসের বিল নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, দেশি চ্যানেলের জন্য মাসে ২০০ টাকা, দেশীয় চ্যানেল ও ১৫টি পে চ্যানেলসহ ৭৫টি চ্যানেলের জন্য ৩০০ টাকা, দেশীয় চ্যানেল ও ২৫টি পে চ্যানেলসহ ১০০টি চ্যানেলের জন্য ৩৫০ টাকা, দেশীয় চ্যানেল ও ৪৮টি পে চ্যানেলসহ ১২০টি চ্যানেলের জন্য সর্বোচ্চ ৪০০ টাকা ফি নেওয়া যাবে।

বাজার মূল্য ও গ্রাহকদের ক্রয়সীমা বিবেচনা করে সেটটপ বক্সসহ অন্যান্য যন্ত্রাংশের দাম সরকার নির্ধারণ করে দেবে বলেও বিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিধিতে ক্যাবল অপারেটরদের প্রসেসিং ফি ধরন ভেদে ১ হাজার থেকে ১০ হাজারের পরিবর্তে ৩ হাজার থেকে ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত করা হয়েছে। লাইসেন্স ফি ধরন ভেদে ৩ হাজার থেকে ১ লাখ ২০ হাজারের স্থলে ২৫ হাজার থেকে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর