,

টুঙ্গিপাড়ায় ৬০ জেলের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ

জেলা প্রতিনিধি, গোপালগঞ্জ: গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় দেশীয় প্রজাতির মাছ ও শামুক সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় নিবন্ধিত প্রান্তিক জেলেদের ভাগ্যবদল ও বিকল্প কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে বকনা বাছুর বিতরণ করা হয়েছে।

আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা মৎস্য দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ৬০ জন জেলের হাতে এ বাছুর তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘সরকার জেলেদের জীবনমান উন্নয়নে বদ্ধপরিকর। এই বাছুর বিতরণের মূল লক্ষ্য হলো জেলেদের কেবল মৎস্য শিকারের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে আনা এবং তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা।’
টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জহিরুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-প্রকল্প পরিচালক মো. খায়রুল ইসলাম, ওসি মো. আইয়ুব আলী, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা প্রকাশ বিশ্বাস, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রাকিবুল ইসলাম, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দেবাশীষ বাছাড়।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দেবাশীষ বাছাড় প্রকল্পের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, ‘মাছের প্রজনন মৌসুমে নদীতে মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকে। ওই সময়ে অভাবের তাড়নায় জেলেরা যাতে মাছ বা শামুক নিধন না করেন, সেটি নিশ্চিত করতেই এই বিকল্প আয়ের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। বাছুরগুলো লালন-পালনের মাধ্যমে জেলেরা দুগ্ধ উৎপাদন ও বিক্রয় করে একটি স্থায়ী আয়ের উৎস খুঁজে পাবেন।’

সরকারের এই সহায়তা পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন উপকারভোগী জেলেরা। তারা জানান, মাছ ধরার পাশাপাশি গবাদি পশু পালন তাদের সংসারে বাড়তি আয়ের যোগান দেবে। নিষিদ্ধ সময়ে এখন আর তাদের অর্থকষ্টে ভুগতে হবে না, যা পরোক্ষভাবে দেশীয় প্রজাতির মাছ রক্ষায় ভূমিকা রাখবে।

এই বিভাগের আরও খবর