জেলা প্রতিনিধি, গোপালগঞ্জ: গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় প্রাইভেট পড়ানোর নাম করে অষ্টম শ্রেণির এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্কুল শিক্ষক আবু হানিফ মোল্লার বিরুদ্ধে।
এ ব্যাপারে ধর্ষিতার বাবা বাদী হয়ে কোটালীপাড়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
গত সোমবার সকালে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ওই মাদ্রাসা ছাত্রী ৩ মাস ধরে উপজেলার নেছারউদ্দিন তালুকদার উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আবু হানিফ মোল্লার (৪৫) বাসায় প্রাইভেট পড়ে আসছিল। সোমবার বাসার পরিবর্তে পাশ্ববর্তী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাইভেট পড়তে যেতে বলে। শিক্ষকের কথা মতো সকাল ৭ টার সময় ওই ছাত্রী প্রাইভেট পড়তে গেলে শিক্ষক হানিফ বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এ সময় ওই ছাত্রীর আর্তচিৎকারে এলাকাবাসি এগিয়ে আসলে ধর্ষক শিক্ষক দৌড়ে পালিয়ে যায়।
ধর্ষক আবু হানিম মোল্লা উপজেলার উত্তর গচাপাড়া গ্রামের মৃত হামেদ মোল্লার ছেলে ও দুই সন্তানের জনক।
শিক্ষার্থীর বাবা সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’
এ ব্যাপারে ধর্ষক আবু হানিফ মোল্লার সাথে কথা বলার জন্য নেছারউদ্দিন তালুকদার উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি । তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়।
কোটালীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘এ ঘটনায় কোটালীপাড়া থানায় মামলা হয়েছে। শিক্ষার্থীর ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি আমি জেনেছি। শিক্ষককে প্রাথমিকভাবে বহিস্কার করে আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’