,

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

বিডিনিউজ ১০ ডটকমছাত্রদের অধিকার ও দাবি আদায়ের আন্দোলনে নিষ্ক্রিয় ছাত্রদল, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় লড়াইয়ের অঙ্গীকার।

খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে বিএনপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রদলও। ছাত্রদের অধিকার কিংবা দাবি আদায়ের আন্দোলনে দীর্ঘদিন ধরেই অনুপস্থিত সংগঠনটি। এমনকি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার আন্দোলনও বেগবান করতে পারেনি। যদিও ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় লড়াই জারি রাখার অঙ্গীকার করেছে ছাত্রদল।

শিক্ষা, ঐক্য ও প্রগতি- এই তিন নীতি ধারণ করে, ১৯৭৯ সালের পহেলা জানুয়ারি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল গঠন করেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান।

৪২ বছরের ইতিহাসে, স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও, গেলো এক দশক ধরেই ম্রিয়মান ছাত্রদল। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল, খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ কোনো দাবিতেই ভূমিকা রাখতে পারেনি সংগঠনটি। তবে বর্তমান নেতৃত্বের দাবি, তারা সফল।

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল বলেন, আমাদের অনেক নেতাকর্মী গুম হয়েছেন, তাদের আর আমরা ফিরে পাইনি। ছাত্রদলের প্রত্যেকটা নেতাকর্মী এই প্রজন্মের মুক্তিযোদ্ধা। ভয়কে জয় করেই আমরা গণতান্ত্রিক একটা পরিবেশ নিশ্চিত করবো।

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন বলেন, ছাত্রদল দুর্বল হয়ে কোন ভূমিকা রাখতে পারছে না এরকম কোন কথা না। মূলত আমাদের নেতাকর্মীরা যাতে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করতে না পারে তাই তাদের বিরুদ্ধে অনেক মামলা-হামলা করা হয়েছে। আমাদের অনেককে মেরে ফেলা হয়েছে, গুম করা হয়েছে। সব বাধা অতিক্রম করে একদিন আমরাও সফল হবো।

ব্যর্থতার বৃত্তে আটকে পড়া সংগঠনটিকে ছাত্রসমাজকে নিয়ে গণতান্ত্রিক লড়াই-সংগ্রাম জোরদার করার পরামর্শ সাবেক ছাত্রদল নেতাদের।

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, গত এক দেড় বছর একটা সাংগঠনিক শক্তি গড়ে উঠেছে। এজন্য আমরা আশাবাদী যে নতুন নেতৃত্ব ছাত্রদলের কমিটি তারা পারবে।  তাদের নেতৃত্বেই একটি গণ আন্দোলন গড়ে উঠবে। এদের ধারাবাহিকতায় নতুন নেতৃত্ব গড়ে উঠবে।

ডাকসুর সাবেক ভিপি আমান উল্লাহ আমান বলেন, আজকে এই সরকার আমাদের উপর দমন নিপিড়ন চালাচ্ছে। এর বিরুদ্ধে অবশ্যই সাধারন ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে নেতৃত্ব দিয়ে সেই নব্বইয়ের চেতনার আন্দোলন-সংগ্রাম করে গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধার করা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-ছাত্রীদের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করা এটিই হবে মূল লক্ষ্য।

ছাত্রদল বলছে, সরকারের দমন-পীড়নের মধ্যে সাংগঠনিক তৎপরতা চালানোই কঠিন হয়ে গেছে।  এই পরিস্থিতির অবসানে ছাত্রসমাজকে একত্রিত করে দুর্বার আন্দোলন গড়ার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।

এই বিভাগের আরও খবর


AllEscort